তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ মোঃ রমিজ উদ্দিন :
কুমিল্লার তিতাস উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন- হাজী আবদুস সালাম মোল্লা মেম্বার। তিনি ভিটিকান্দি ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামের কালা মিয়া মোল্লার ছেলে। হাজী আবদুস সালাম মোল্লা মেম্বার ১৯৮৪ সালে বিএনপির রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। সেই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নতুন করে আবার কমিটি গঠন করা হলে তাকে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নির্বাচিত করা করা হয়। এরপর তাঁকে বৃহত্তর দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়। ততকালীন মন্ত্রী ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার নতুন উপজেলা হিসেবে তিতাস উপজেলা প্রতিষ্ঠা করলে এরপর তিতাস উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। আর সেই কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি নির্বাচিত হন হাজী আবদুস সালাম মোল্লা মেম্বার। এই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে পুনরায় আবার তিতাস উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির গঠন করা হয়। তাঁকে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে যুগ্ম-আহবায়ক নির্বাচিত করা হয়। সদ্য ঘোষিত তিতাস উপজেলা বিএনপির ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে হাজী আবদুস সালাম মোল্লা মেম্বার সহসভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি চল্লিশ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সাংগঠনিক ভাবে জড়িত বলে জানান তিনি। দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে রাজনীতি করতে গিয়ে হাজী আবদুস সালাম মোল্লা মেম্বার আ.লীগের দুঃশাসনের শিকার হয়ে ২০ টির অধিক মামলার আসামি হন। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সাথেও বিভিন্ন মামলায় আসামি ছিলেন বলেও জানান হাজী আবদুস সালাম মোল্লা মেম্বার।
দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি প্রায় ৩০ বার হা মলার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে হাজী আবদুস সালাম মোল্লা মেম্বারের বয়স হয়েছে (৬৪) বছর। তিনি ৩ ছেলে ৬ মেয়ের জনক। তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতি করার কারণে আমার ছেলে-মেয়েরা মেধা সম্পন্ন হওয়া স্বত্ত্বেও তারা সরকারি চাকুরী পায় নাই। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের দুঃশাসনের ১৭ বছরে আমার শারীরিক- মানুষিক ও অর্থনৈতিকসহ অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তারপরও আমার নেতা বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন এর হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষো দলের জন্য মাঠে সক্রিয় ভাবে কাজ করেছি।
আগামী নির্বাচনে প্রিয়নেতা ড.মোশাররফ হোসেন সাহেব ও ড.খন্দকার মারুফ হোসেনকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাবো ইনশাআল্লাহ।আমাদের প্রাণ প্রিয়নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যারের দীর্ঘায়ু কামনা করছি, দোয়া করি মহান আল্লাহ তাআলা তাঁদেরকে যেনো সুস্থতা দান করেন।আর আমাকে তিতাস উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নির্বাচিত করায় আমার নেতা বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ড.খন্দকার মারুফ হোসেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক আক্তারুজ্জামান সরকার, সদস্য সচিব এ এফ এম তারেক মুন্সি, তিতাস উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওসমান গনি ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সেলিম ভূইয়া, সিনিয়র সহসভাপতি হাজী আলী হোসেন মোল্লার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।