রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করেছে সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর —-তথ্য প্রতিমন্ত্রী তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬৭ জন গ্রেফতার রাজধানীর খেলার মাঠ উন্নয়নে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিদর্শন টিম পাট খাতের উন্নয়নে জেডিপিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে- বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কুমিল্লা তিতাসে এমপি অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়াকে গণসংবর্ধনা খুলনায় পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু: নীরব যন্ত্রণার আড়ালে এক মানবিক বার্তা কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে সামগ্রিক অর্থনীতি মজবুত হবে —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী জলবদ্ধতা দূরীকরণ, চাষাবাদ বৃদ্ধি ও প্রকৃতি বাঁচাতে খাল খনন অব্যাহত রাখা হবে ‎——- পানি সম্পদ মন্ত্রী বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ

মালয়েশিয়ার মেদান ইম্বির নেগেরি সেম্বিলান এ ৫০৬জন বিদেশী নাগরিককে আইন লঙ্ঘনের সন্দেহে আটক করা হয়েছে

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৭৬ বার পড়া হয়েছে

মো:নুরুল ইসলাম সুজন, মালয়েশিয়া :

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ (JIM) ২০২৫ সালের ১৭ই এপ্রিল কুয়ালালামপুরের মেডান ইম্বির একটি ব্যবসায়িক এলাকায় এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযান সন্ধ্যা ৭:৩০টায় শুরু হয় এবং এতে ইমিগ্রেশন বিভাগের সদর দপ্তর ও নেগেরি সেমবিলান শাখার বিভিন্ন পদমর্যাদার ১৮৫ জন কর্মকর্তা এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগসহ অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন।

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক, সম্মানিত দাতুক জাকারিয়া বিন শাহবান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই অভিযানে মোট ৮৯৫ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৭৪৯ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১৪৬ জন স্থানীয় নাগরিক ছিলেন। এর মধ্যে ৫০৬ জন বিদেশি নাগরিককে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সন্দেহে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বয়স ২৫ বছর থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে।

অভিযান চলাকালে কিছু বিদেশি নাগরিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং কেউ কেউ ঘর, টয়লেট, স্টোর রুমসহ বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে পড়ে। সনাক্ত হওয়া অপরাধগুলোর মধ্যে ছিল – পরিচয়পত্রের অনুপস্থিতি, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, ওভারস্টে, অবৈধ কার্ড ধারণ এবং অন্যান্য অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনা।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, তারা অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, অভিবাসন প্রবিধান ১৯৬৩ এবং মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান বিরোধী আইন ২০০৭ (ATIPSOM)-এর অধীনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে। এছাড়াও, যেসব পক্ষ অবৈধ অভিবাসীদের চাকরি দেয় বা তাদের আশ্রয় দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102