সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সরকারের সর্বাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী কুমিল্লা তিতাসের বলরামপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান সম্ভাব্যপ্রার্থী লিটন শিকদারকে নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে হাম (measles) পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিকিৎসা সামগ্রী অনুদান দিলো আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি/ICRC) ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ করার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শাহজাদপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে এবং দোষীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত 

হরিণাকুণ্ডুর নারায়ণকান্দি গ্রামে আঙুর চাষে শরিফুল ইসলামের সাফল্য

মো: রবিউল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ রবিউল ইসলাম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি :

​ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুর মাটিতে এখন দুলছে বিদেশি ফল আঙুর। উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত নারায়ণকান্দি গ্রামে শরিফুল ইসলাম নামের এক কৃষক আঙুর চাষ করে বাজিমাত করেছেন। তার মাচায় ঝুলছে থোকায় থোকায় মিষ্টি আঙুর। বিষমুক্ত ও সুস্বাদু হওয়ায় এই আঙুর দেখতে ও কিনতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।

​সবুজ পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে থোকায় থোকায় আঙুর। কোনোটি গাঢ় সবুজ, আবার কোনটি হালকা লালচে। দৃশ্যটি কোনো বিদেশের আঙুর বাগানের নয়; এটি ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার নারায়ণকান্দি গ্রামের চিত্র। ইউটিউবে ভিডিও দেখে শখের বশে বাগান শুরু করলেও, আজ তা শরিফুলের জীবনে এনে দিয়েছে বড় সাফল্য।

​শরিফুল ইসলামের এই বাগানে কোনো রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয়নি। সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা এই আঙুর যেমন সুস্বাদু, তেমনি আকারেও বেশ বড়। সাধারণত বাজারে পাওয়া আঙুরের চেয়ে এই আঙুর অনেক বেশি সতেজ ও স্বাস্থ্যসম্মত।

আঙ্গুর চাষী শরিফুল ইসলাম বলেন : “আমি প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম যে আমাদের মাটিতে মিষ্টি হবে কি না। কিন্তু সঠিক পরিচর্যা আর জৈব সার ব্যবহার করার পর দেখলাম ফলন অনেক ভালো হয়েছে। আঙুরগুলো খেতেও খুব মিষ্টি। আগামীতে আমি এই চাষ আরও বড় আকারে করার চিন্তা করছি।”

​অভাবনীয় এই সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ ছুটে আসছেন বাগান দেখতে। অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন নতুন এই ফল চাষে। স্থানীয় বাজারের চাহিদাও মেটাচ্ছে এই বাগান।

​কৃষি বিভাগের মতে, এ অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটি আঙুর চাষের জন্য বেশ সম্ভাবনাময়। সঠিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে এই চাষ বাড়ানো গেলে মিটবে পুষ্টির চাহিদা, সাশ্রয় হবে বৈদেশিক মুদ্রার।

বাংলাদেশে আঙুর চাষের সম্ভাবনা যে আরও উজ্জ্বল হতে পারে, তার বাস্তব উদাহরণ এই শরিফুল ইসলাম। যথাযথ সরকারি সহযোগিতা ও বাজারজাতকরণের সুযোগ পেলে, বিদেশ থেকে আঙুর আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কৃষিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102