মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
কুমিল্লা তিতাসে আধুনিক সমৃদ্ধ ওয়ার্ড গড়ার স্বপ্ন দেখেন মেম্বার প্রার্থী বিল্লাল হোসেন নদীর বুকে এক নীরব সফর – ডি এম এমদাদুল হক হজযাত্রায় নিষিদ্ধ পণ্য বহন থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আগামী পাঁচ বছরে ৩ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ নৌ পুলিশের আভিযানে ১০৫ বোতল ভারতীয় তৈরি মদ উদ্ধার বটগাছের ছায়ায় অমূল্যের জীবনযুদ্ধ, বাপ-দাদার ঐতিহ্যে ৫০ বছরের ঝাড়ু ব্যবসা এলডিসি গ্রাজুয়েশন সামনে রেখে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই : শিল্পমন্ত্রী সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার অঙ্গীকার হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত -ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

পার্বত্য উৎসবে আর ‘বৈসাবি’ নয়, প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব পরিচয়ে উৎসব পালনের ঘোষণা পার্বত্য মন্ত্রীর

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

ঢাকা, ৯ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি.

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখন থেকে ‘বৈসাবি’ নয়, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলো যার যার সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয় রীতি ও নামে পালিত হবে।

আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি সম্প্রদায়ের এই উৎসবের নাম শুধু ‘বৈসাবি’ হতে পারে না। এই নামকরণ দিয়ে বিগত সরকার অন্যান্য সম্প্রদায়ের জাতিসত্তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কোনো বৈষম্য চায় না। তাই এখন থেকে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান- সবগুলো উৎসবই নিজ নিজ নামে অভিহিত হবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানো হবে।

উৎসবের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও বলেন, ১২ এপ্রিল ‘ফুল বিজু’ হলো আমাদের শ্রদ্ধা ও প্রার্থনার দিন। আমরা এদিন পানিতে ফুল গছিয়ে দিই (শ্রদ্ধা নিবেদন করি), ভাসিয়ে দিই না। এরপর ১৩ এপ্রিল ‘মূল বিজু’ এবং ১৪ এপ্রিল মারমা সম্প্রদায়ের ‘জলকেলি’ বা পানি উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হবে। এই উৎসব পাহাড়ি-বাঙালি ঐক্যের প্রতীক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চান সকল উৎসবে রংধনুর মতো বৈচিত্র্য থাকুক। পাহাড়ি জনগণের স্বকীয়তা রক্ষা করে তাদের উন্নয়নের মূলস্রোতে সম্পৃক্ত রাখাই আমাদের সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

আগামী ১২ এপ্রিল ২০২৬ (২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ) সকাল ০৮.৩০ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডস্থ ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স’ থেকে রমনা পার্কের লেক পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও ফুল অর্চনা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ে বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু-সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102