বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জুলাই শহীদদের গেজেট ও কবর সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী রাশিয়া : কম দামে দিতে চায় ইউরিয়া সার ঝিকরগাছায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের শ্লীলতাহানির অভিযোগের পর ‘থলের বিড়াল’ বের হতে শুরু করেছে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে — মষমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন কুমিল্লা তিতাসে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা কুমিল্লা তিতাস উপজেলা বিএনপিকে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের তিতাস উপজেলা নবগঠিত কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা সরকার ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন কর্মসংস্থান ও সুশাসনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য উৎসবে আর ‘বৈসাবি’ নয়, প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব পরিচয়ে উৎসব পালনের ঘোষণা পার্বত্য মন্ত্রীর

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

ঢাকা, ৯ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি.

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখন থেকে ‘বৈসাবি’ নয়, বরং পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলো যার যার সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয় রীতি ও নামে পালিত হবে।

আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি সম্প্রদায়ের এই উৎসবের নাম শুধু ‘বৈসাবি’ হতে পারে না। এই নামকরণ দিয়ে বিগত সরকার অন্যান্য সম্প্রদায়ের জাতিসত্তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কোনো বৈষম্য চায় না। তাই এখন থেকে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান- সবগুলো উৎসবই নিজ নিজ নামে অভিহিত হবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানো হবে।

উৎসবের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও বলেন, ১২ এপ্রিল ‘ফুল বিজু’ হলো আমাদের শ্রদ্ধা ও প্রার্থনার দিন। আমরা এদিন পানিতে ফুল গছিয়ে দিই (শ্রদ্ধা নিবেদন করি), ভাসিয়ে দিই না। এরপর ১৩ এপ্রিল ‘মূল বিজু’ এবং ১৪ এপ্রিল মারমা সম্প্রদায়ের ‘জলকেলি’ বা পানি উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হবে। এই উৎসব পাহাড়ি-বাঙালি ঐক্যের প্রতীক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চান সকল উৎসবে রংধনুর মতো বৈচিত্র্য থাকুক। পাহাড়ি জনগণের স্বকীয়তা রক্ষা করে তাদের উন্নয়নের মূলস্রোতে সম্পৃক্ত রাখাই আমাদের সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

আগামী ১২ এপ্রিল ২০২৬ (২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ) সকাল ০৮.৩০ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডস্থ ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স’ থেকে রমনা পার্কের লেক পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও ফুল অর্চনা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ে বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু-সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102