আলী আহসান রবি :
ঢাকা, ২৭ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার:
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে স্লোগান তুলবো তামাককে না বলি, জীবনকে হ্যাঁ বলি। তিনি বলেন, আমাদের দেশে যে পরিমাণ আইন আছে এতো আইন অন্য দেশে নেই। আইনের প্রতি আমাদের সচেতন হতে হবে তাহলে আমরা আইনকে সম্মান করতে পারবো।
প্রতিমন্ত্রী গতকাল ঢাকায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রহমান রুমে নারী মৈত্রী আয়োজিত Youth Conference on Protecting Health of Women, Children and Youth from Tobacco Harms শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি অন্কোলজিস্ট এবং প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. গোলাম মহিউদ্দীন ফারুক, টিচার্স ফোরাম এগেইনস্ট টোব্যাকোর সদস্য সাবিনা আকতার আরজু, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব শিবানী ভট্টাচার্য এবং বিসিআইসির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান । প্রোগ্রামের বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন নারী মৈত্রীর টোব্যাকো কন্ট্রোল প্রজেক্ট এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নাছরিন আকতার।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে রেপ হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কিন্তু আমাদের দেশে কি রেপ কমেছে। তামাক বিরোধী আইন আছে। ২০০৫ সালে এই আইন করা হয়। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেছে, তাহলে কেন তামাক সেবন বন্ধ হয়নি। এখনো দেখা যায় মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছেন। তাই দেশকে তামাকমুক্ত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিগারেট খাওয়া, তামাক সেবন করা মানুষের জীবনকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। এজন্য আমি সিগারেট খাওয়াকে পছন্দ করি না। তিনি বলেন, বিভিন্ন নিষিদ্ধ ড্রাগ কিডনিসহ নানা ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। আমি অ্যাপ্রসিয়েট করি যারা মাদককে না বলে।
প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, আমাদের তরুণদেরকে বোঝাতে হবে, সচেতন করে তুলতে হবে। তাদেরকে বলতে হবে এ ধরনের ড্রাগ থেকে শরীরে নানা রোগের সৃষ্টি হয়। শরীর দুর্বল হয়, মেধার বিকাশ বাঁধা গ্রস্থ হয়।
তিনি বলেন, আজকে যারা আমার সামনে বসে আছে এই টগবগে তরুণদের কাছ থেকে অনেক কিছু আমাদের শেখার আছে। এই তরুণরা আমাদের কাছে বটবৃক্ষের মতো। তাদের কাছ থেকে আমাদের অনেক উপদেশ গ্রহণ করা যায়। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আজ আমরা এখানে যারা উপস্থিত হয়েছি আমাদের দেশের তরুণ যুবক, নারী ও শিশুকে রক্ষা করতে, পথভ্রষ্ট থেকে ফিরিয়ে আনতে। এজন্য তিনি এখন থেকেই প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক থেকে তাদের ছেলে-মেয়েদের সচেতন করে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন।