আলী আহসান রবি :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার লক্ষ্যে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রউফ আজ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ও সংশ্লিষ্ট সড়ক পথ পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সচিব সেতু বিভাগ প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং ঈদে ঘরমুখো মানুষের যানজটমুক্ত চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজ ও আধুনিক করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এবং মাননীয় প্রতিমন্ত্রীও আসন্ন ঈদ যাত্রা নিয়ে অত্যন্ত সজাগ এবং বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে দেখছেন।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া রুটে যাতে কোনোভাবেই যাতায়াত বিঘ্নিত না হয় এবং নির্মাণাধীন প্রকল্পের কারণে যাত্রীসাধারণের ভোগান্তি না ঘটে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। রাস্তার যে অংশগুলো সংস্কার প্রয়োজন, তা দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন তিনি, যাতে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনগুলো কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই চলাচল করতে পারে।
পরিদর্শনকালে সেতু সচিব প্রকল্পের নির্মাণাধীন পিলারের পাইলিং, গার্ডার স্থাপন এবং সংযোগস্থলের কাজগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং কাজের গতি ত্বরান্বিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, যাত্রার সময় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
সেতু সচিব বলেম, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকারমূলক মেগা প্রকল্প। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সাথে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলের যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও বিকল্প রাস্তা এবং নিচের বর্তমান সড়কটি যাতে সচল থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন, যাতে যাত্রী সাধারণ কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। এ সময় প্রকল্প এলাকায় সেতু বিভাগ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রকল্প পরিচালক এবং প্রকল্পের পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীগণ উপস্থিত ছিলেন।