মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি অবস্থায় প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিতকল্পে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করেছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ৪৭ টি মাথার খুলি ও মানবদেহের বিপুল পরিমাণ হাড়সহ সংঘবদ্ধ মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্র মানুষের সেবার জন্যই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছেন- বান্দরবান লামায় পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বীমা কোম্পানির লাইসেন্স ফি মওকুফ চেয়েছে বিআইএ হরিপুরে চাচার জমি দখলের চেষ্টায় ভাতিজা কুমিল্লা তিতাসের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে স্থানীয় এমপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আশুলিয়ায় মাদক, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসের অভিযোগে বিতর্কিত ‘ইয়াবা সজীব’, ছাত্রদল থেকে বহিষ্কারের দাবি এলাকাবাসীর পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে ইউএনডিপি ও বাংলাদেশ সরকারের অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রবাসীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে সরকার কুমিল্লা তিতাসে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সেম্বুপুরে মাটি কাটার মহোৎসব

শুরুতে ৩৭৫৬৭ টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে- —-সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

ঢাকা, ৯ মার্চ ২০২৬:

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, যাচাই-বাছাই পূর্বক চূড়ান্তভাবে ৩৭৫৬৭ নারী প্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন,২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি ‘সার্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড ‘ হিসেবে রূপান্তর করা হবে। পাঁচজন সদস্য সম্বলিত একজন নারী প্রধান পরিবারের মা বা জ্যৈষ্ঠ নারী সদস্য যার নামে এ কার্ড ইস্যু করা হবে। নাগরিকের জন্য একটি সার্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড হিসেবে রূপান্তর করা বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি।

নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নারীর অধিকার ও নারীর মর্যাদা নিশ্চিত করন, পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ সহায়তা দেয়া হবে।

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে (মাল্টিপারপাস হল) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলেন।

এ সময় ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মামুন তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জনাব মাহদী আমিন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জনাব রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ কমিটির অন্যান্য সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করার রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতাকে আধুনিক ডিজিটাল কাঠামোর মাধ্যমে বাস্তবে রূপ দিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন ২০২৬ প্রণয়ন করেছে। এই কর্মসূচির মূল দর্শন হচ্ছে “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক”। বর্তমানে দেশে প্রচলিত ৯৫টিরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মধ্যে বিদ্যমান সমন্বয়হীনতা, একই ব্যক্তির একাধিক সুবিধা গ্রহণ (Double-dipping) এবং উল্লেখযোগ্য শতাংশ প্রকৃত দরিদ্রদের বাদ পড়ার মতো ত্রুটিগুলো দূর করে একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য। এই কর্মসূচির দীর্ঘমেয়াদী রূপকল্প হলো ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি ‘সার্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’-এ রূপান্তর করা।

সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হিসেবে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ (PMT) স্কোরিং ব্যবহার করা হবে। পাইলটিং পর্যায়ে ০-১০০০ স্কোরের মধ্যে ১ম, ২য় ও ৩য় কোয়ান্টাইলের অন্তর্ভুক্ত অতি দরিদ্র, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করে দারিদ্র্যের এ ধাপ পুন:নির্ধারণ করা যাবে। গ্রামীণ এলাকায় বসতভিটাসহ আবাদি জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার কম এবং পরিবারের মাসিক আয় ও সম্পদের ভিত্তিতে এই যোগ্যতা নির্ধারিত হবে। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে এই কার্ডটি সরাসরি পরিবারের ‘মা’ বা ‘নারী প্রধান’ সদস্যের নামে ইস্যু করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, পাইলট কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২,৫০০ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে। সরকারি কোষাগার থেকে এই অর্থ ‘জিটুপি’ (G2P) পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। এর পাশাপাশি বিদ্যমান টিসিবি কার্ডকে ফ্যামিলি কার্ডের ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ (DSR)-এ স্থানান্তর করা হবে। ভবিষ্যতে এ ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে ওটিপি (OTP) ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সাশ্রয়ী খাদ্য সহায়তা এবং শিক্ষা উপবৃত্তি ও কৃষি ভর্তুকি ইত্যাদি সকল সরকারি সহায়তা ধারাবাহিকভাবে এ কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো আনুসঙ্গিক খরচ বহন করবে, তবে ডাটা সংরক্ষণের মূল দায়িত্ব পালন করবে সমাজসেবা অধিদপ্তর। ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সামাজিক নিরাপত্তা বাজেটকে জিডিপির ৩ শতাংশে উন্নীত করার একটি লক্ষ্যমাত্রা এই গাইডলাইনে নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞটি বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ কমিটি থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সার্বিক তত্ত্বাবধান সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি নীতি নির্ধারণ করবে এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে কারিগরি ও ডাটা ম্যানেজমেন্ট কমিটি সার্বিক তত্ত্বাবধান-করবে। উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে পৃথক বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাস্তবায়ন রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ০২ মার্চ পর্যন্ত ওয়ার্ড কমিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেক পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগৃহীত ডাটা অনলাইনে এন্ট্রি ও পিএমটি স্কোরিং শেষে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মীরা সরেজমিনে ‘লাইভ ভেরিফিকেশন’ কাজ করছে। ফ্যামিলি কার্ড হবে কিউআর কোড যুক্ত ডিজিটাল স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। সকল প্রস্তুতি শেষে ১০ মার্চ ২০২৬ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন এবং উদ্বোধনের সাথে সাথেই সুবিধাভোগীদের মোবাইল ওয়ালেটে/ব্যাংক হিসাবে প্রথম মাসের নগদ সহায়তা পৌঁছে যাবে। পাইলটিং কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে ১৩টি জেলার ১৩ টি সিটি কর্পোরেশন/ ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি খানার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন , উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওয়ার্ড কমিটি সরেজমিনে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান , পরিবারে ব্যবহৃত আসবাব ও গৃহস্থালী সামগ্রী রেমিটেন্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং সংগৃহীত তথ্য ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। ইউনিয়ন কর্তৃক যাচাই-বাছাই কৃত উপকারভোগীদের চূড়ান্ত তালিকা উপজেলা কমিটি কর্তৃক অধিকতর যাচাই-বাছাই পূর্বক উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাইলটিং পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪ টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে চূড়ান্তভাবে ৩৭৫৬৭ টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।
পরবর্তীতে প্রতি ধাপে ১০,০০০ করে বৃদ্ধি করে জুন ২০২৬ এর মধ্যে বিভিন্ন ইউনিটে ৪০,০০০ দরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতাভুক্ত করা হবে। পরবর্তীতে এই ভাতাভোগীগণের ভাতা প্রদান অব্যাহত থাকবে । সকল নগদ অর্থ সহায়তা ও টিসিবি সহায়তাকে একক কার্ডের অধীনে নিয়ে আসা হবে , প্রতিবন্ধী ভাতা ও বয়স্ক ভাতা অব্যাহত থাকবে। ২০২৮ সালের মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বাজেট জিডিপি’র ৩ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পাইলটিং কর্মসূচির জন্য ০৪ মাসে (মার্চ-জুন, ২০২৬) মোট ৩৮ কোটি ৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে যার মধ্যে ২৫.১৫ কোটি টাকা( ৬৬.০৬ শতাংশ) অর্থ সরাসরি দরিদ্র পরিবারগুলোর হাতে পৌঁছাবে। এটি বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তির একটি ঐতিহাসিক সনদ হিসেবে বিবেচিত হবে, যা প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করবে।

মন্ত্রী জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য শীঘ্রই একটি নতুন নিবেদিত ‘হটলাইন’ চালু করা হবে। উক্ত হটলাইনটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিদ্যমান ‘চাইল্ড হেল্প লাইন ১০৯৮’এ কল করে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম বা সমস্যার অভিযোগ প্রদান করা যাবে। এছাড়াও নাগরিকগণ সমাজসেবা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট এবং ৩৩৩ হেল্পলাইনের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এছাড়াও সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা/শহর সমাজসেবা অফিসে লিখিত অভিযোগ দেওয়া যাবে। অভিযোগে ধরন অনুযায়ী যোগ্য পরিবার বাদ পড়া, সচ্ছল পরিবারের অন্তর্ভুক্তি, অনিয়ম, দুর্নীতির সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকলে বা অর্থ প্রাপ্তিতে কারিগরি ত্রুটির বিষয়ে প্রতিকার চাওয়া যাবে। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে । এছাড়া স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতি মাসে অন্তত একবার উপজেলার ইউনিয়ন এবং সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড পর্যায়ে গনশুণানি বা সামাজিক নিরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমান জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সরকার দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি সার্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড হিসাবে রূপান্তর করা একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে প্রকৃত অভাবী পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে তাদের খাদ্য, নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং স্বাবলম্বীকরণের সুযোগ নিশ্চিত করা আমাদের ভীষণ এবং মিশন।

আমরা একটি মানবিক, তথ্যনির্ভর ও জবাবদিহিতামূলক সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া হবে না। প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক আছে। সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনারাও সচেতন থাকবেন, আমাদের জানাবেন—আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:০১ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:১৩ অপরাহ্ণ
  • ১৬:২৫ অপরাহ্ণ
  • ১৮:০৯ অপরাহ্ণ
  • ১৯:২২ অপরাহ্ণ
  • ৬:১২ পূর্বাহ্ণ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102