বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
ভৈরবে হাইওয়ে থানায় প্রাইভেটকার থেকে ৭ কেজি গাঁজা সহ ৩জন মাদক কারবারি আটক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মাহবুবুর রহমানের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত পে-স্কেলসহ তিন বেতন কমিশনের প্রতিবেদন সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি গঠন আশুলিয়ার চাঞ্চল্যকর ফয়সাল মোল্লা হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার যশোরের তারাগঞ্জ থেকে ৯০০ গ্রাম স্বর্ণসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি মোবাইল ইউনিটে গ্রামেই হবে হৃদরোগের জটিল চিকিৎসা ….স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ৫০০ হাসপাতালে মোতায়েন হচ্ছে ১০ জন করে আনসার ….স্বাস্থ্যমন্ত্রী মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণ বিষয়ে রূপরেখা পর্যালোচনা নতুন যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রোডম্যাপ তৈরিতে ইউনেস্কোর সহায়তা কামনা তথ্যমন্ত্রীর

দেশের দুই জেলায় পাটের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

ঢাকা,মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬:

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দেশের বাজারে পাটের সরবরাহ নিশ্চিতে এবং পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বেগবান করতে দুই জেলাতে পাটের অবৈধ মজুদদারির বিরুদ্ধে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পাট অধিদপ্তর। মানিকগঞ্জ ও রাজবাড়িতে পাট অধিদপ্তর জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এ অভিযানে মজুদকারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান করে ও মজুদে থাকা পাট দ্রুত বিক্রির আদেশ করে।

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ঘিওর বাজারের ব্যবসায়ী দুলাল চন্দ্র সাহার গুদামে ১৫০০ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়। অতিরিক্ত পাট বিক্রির জন্য ১০ দিন সময় দিয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়। এদিকে মেসার্স সামেজ উদ্দিন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী নুরুল হকের গুদামজাত ১৫০০ মন পাট মজুদ রাখায় ৭ দিনের মধ্যে তা বিক্রির মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ থাকে যে,১ হাজার মনের বেশি পাট মজুদ করা আইনগত অবৈধ।

মানিকগঞ্জ জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শায়খ শিহাব উদ্দিন ও মুনতাছির মামুন মনি এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় পাট অধিদপ্তর, নারায়নগঞ্জ এর সহকারী পরিচালক মাহবুব হোসেন, পাট অধিদপ্তর মানিকগঞ্জের পরিদর্শক আশিক কুমার ভৌমিক, উপসহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা -দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বাজারে পাটের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে অভিযানে পাট ব্যবসায়ী চন্দন কুমারের গুদামে ৭৫০মন পাট ; গোবিন্দ কুন্ডুর গুদামে ২৫০ মন; গোবিন্দ চন্দ্রের গুদামে ৪৫০ মন; গোলাম রব্বানীর গুদামে ৭০০ মন; নুর মোহাম্মাদের গুদামে ৮৫০ মন; কামাল হোসেনের গুদামে ৯০০মন পাট পাওয়া যায়। এদের ৭-১৫ দিনের মধ্যে পাট বিক্রির আদেশ করা হয়।

পরবর্তীতে পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ও বনগ্রাম বাজারে অভিযানে বাসুদেব ও দীপক দাসের যৌথ মালিকানাধীন গুদামে মোট ১,৯০০ মন পাট এবং সুদীপ্ত কুমার, আব্দুল হাকিম ও তহমিনা খাতুনের যৌথ মালিকানাধীন গুদামে ২,০০০ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়। উক্ত ব্যবসায়ীদেরও ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পাট বিক্রির নির্দেশ প্রদান করা হয় এবং এ বিষয়ে তাদের নিকট থেকে অঙ্গীকারনামা নেয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি বলেন,’ অবৈধ মজুদদারি পাটখাত ও দেশের রপ্তানি খাতের জন্য ক্ষতিকারক। অতিরিক্ত লাভের আশায় একটি অসাধু চক্র মজুদ করে থাকে। পাটজাত পণ্য উৎপাদনখাত আরো বেগবান করতে আর পাটের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ অভিযান চলবে। ”

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102