সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জগতপুর ইউনিয়নসহ সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানালেন হাজী মকবুল হোসেন সংহতির নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্যসামগ্রীর শুভেচ্ছা চালান হস্তান্তর করল বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী

গুলশানে বেশি দামে জমি কিনে ভবন করছে সিটি ব্যাংক

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গুলশানে ৪০ কাঠা জমিতে ২৮ তলা নিজস্ব ভবন করবে সিটি ব্যাংক। এ জন্য রাজউক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধান্তটি অনুমোদন পেয়েছে। কিন্ত অভিযোগ উঠেছে, চলতি বাজারমূল্যেরে চেয়ে বেশি মূল্যে কেনা হচ্ছে জমি।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ‎আগের ২০ কাঠা জমির পার্শ্ববর্তী আরো ২০ কাঠা জমি কিনছে ব্যাংকটি। এই ক্রয়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ কৌশল। অতিরিক্ত ২০ কাঠা জমি ক্রয়ে জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪৫ কোটি টাকা। সিটি ব্যাংক শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানি।

সেই হিসাবে বিপুল অর্থ ব্যয়ে জমি কেনা ও ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্তের কথা মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে ব্যাংকটি। তাতে বলা হয়, নতুন করে ব্যাংকটি গুলশানে ২০ কাঠা জমি কেনার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার জন্য ব্যয় হবে ৩৪৫ কোটি টাকা।

‎কিন্তু এ বিষয়ে আবাসন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০ কাঠা জমির মূল্য প্রায় সাড়ে তিনশো কোটি টাকা। সে হিসেবে প্রতি কাঠা জমির দাম ১৭ কোটি ২৫ লাখ টাকার মতো দাঁড়ায়।

এটা বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি- এমনটাই বলছেন আবাসন সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর আগে গুলশানে ব্যাংকটির ২০ কাঠা জমির ওপর যে ভবন ছিল, সেটি ভেঙে নতুন সুউচ্চ ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাজউক থেকে ২৮ তলা সুউচ্চ ভবন নির্মাণের অনুমোদনও এর মধ্যে হয়ে গেছে। এই ২৮ তলা ভবনের মধ্যে ৫ তলা বরাদ্দ থাকবে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য। বাকি ২৩ তলাজুড়ে থাকবে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম।

সেভাবেই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন জমির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ভবনের উচ্চতা ও পরিসর বৃদ্ধির আরও সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পৃথিবীজুড়ে ব্যাংকের ভবন ও কার্যালয় খুবই নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন হয়ে থাকে। আমরাও দেশের ব্যাংক খাতে সে রকম একটি উদাহরণ তৈরি করতে চাই। এ জন্য আমাদের পরিকল্পনা ও উদ্যোগে সম্মতি দেওয়ার জন্য ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞ। খুব দ্রুততম সময়ে আমরা আমাদের নিজস্ব ভবন তৈরি ও সেখানে কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা করব।’

বর্তমানে সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকাণ্ড চলছে গুলশানের একটি ভাড়া ভবনে। নিজস্ব জমিতে নতুন করে ভবন নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সেখান থেকে প্রধান কার্যালয় সাময়িকভাবে ভাড়া ভবনে সরিয়ে নেওয়া হয়। সিটি ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংকটির কর্মীর সংখ্যা ৭ হাজার ১০০ জনের বেশি। দেশজুড়ে ব্যাংকটির রয়েছে ১৩৪টি শাখা, ৭০টি উপশাখা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102