মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
সালমান খানের শরীর ভেঙে পড়ছে, কী হয়েছে অভিনেতার? বিশ্বকাপের ফাইনাল হারের পর বড় দুঃসংবাদ পেলো আর্জেন্টিনা কুমিল্লা হোমনার রামকৃষ্ণপুর কামাল স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী দেয়াল ধসে আহত কুমিল্লা দাউদকান্দিতে অটোরিকশা ছিনতাই, হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩ শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মেজর মোজাফফরের বিচার সেনা আইনেই সম্পন্ন হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াতে এনজিওদের প্রতি জ্বালানি মন্ত্রীর আহ্বান সিটিটিসি কর্তৃক চুরি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার চলমান প্রকল্পগুলোকে সরকারের ইশতিহারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে পরিমার্জন করা হবে —– পরিবেশমন্ত্রী

ডাকসুর ভিপি-জিএস কত লাখ টাকা পান

ফারজানা ফারাবী
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

ফারজানা ফারাবী, স্টাফ রিপোর্টারঃ

দীর্ঘ ছয় বছর পর আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ক্যাম্পাসে উৎসব মুখর আমেজ বিরাজ করছে। কে হবেন ডাকসুর পরবর্তী ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) ও জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস)? ভিপি-জিএস কতটাকা করে পাবেন সেই প্রশ্ন মুখে মুখে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডাকসুর ভিপি এবং জিএস এর আলাদা কোনো বেতন নেই। তবে এক বছর ক্যাম্পাসে নিজের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এককালীন টাকা পেয়ে থাকেন তারা। এ অর্থ চা-নাস্তা এবং অন্যান্য খাতে ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। ভিপি এবং জিএসের জন্য মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে।

জানতে চাইলে ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘ভিপি এবং জিএসের জন্য মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা ভিপির জন্য এবং পাঁচ লাখ টাকা জিএসের জন্য। এই টাকা মূলত চা-নাস্তার জন্য দেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তাও করা হয়। আমার জন্য বরাদ্দ হওয়া টাকার মধ্যে দুই লাখ টাকা তুলেছিলাম। আমার নামে ডাকসুতে এখনো তিন লাখ টাকা রয়েছে। এই টাকা আসন্ন কমিটির ভিপি-জিএসকে দিয়ে দেব।’

জানা গেছে, ডাকসুর ভিপি-জিএস পদ দুটি সম্মান ও ক্ষমতার দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ পদ দুটির সবচেয়ে বড় গুরুত্ব হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ দুটি বডি ‘সিনেট’ এবং সিন্ডিকেট’ এর সদস্য হবেন তারা। সেখানে তারা ঢাবির হাজার হাজার শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্ব করে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবির কথা তুলে ধরতে পারবেন। পাশাপাশি ছাত্রদের স্বার্থপরিপন্থী যে কোনো বিষয়ে তারা সেখানে প্রতিবাদ করতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট এবং সিন্ডিকেটে দেশের ভিআইপি ব্যক্তিরা সদস্য হন। এ দুই বডিতে তারাও অন্য সদস্যদের মতোই ক্ষমতাবান হিসেবে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাদের মতামত প্রদানের সুযোগ পাবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাজেটসহ যেকোনো কর্মসূচিতে তারা ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত থাকবেন তারা।

নীতি নির্ধারণী সভাগুলোসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে সব কাজ-কর্মেই কোনো না কোনোভাবে তাদের সম্পৃক্ততা থাকবে। সমাবর্তন বা যে কোনো কর্মসূচিতে তাদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন এবং বিভিন্ন উন্নয়নের যে পরিকল্পনা হয় সে সংক্রান্ত কমিটির সদস্য হিসেবেও থাকবেন তারা।

এছাড়া সিলেকশন বোর্ড, যেখানো কাউকে চাকরি দেওয়া বা চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। সেখানেও একজন প্রতিনিধি হিসেবে তাদের কর্তৃত্ব থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো জরুরি ঘটনার ক্ষেত্রে জরুরি কোনো বৈঠক হলে ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তারা ওখানেও থাকবেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব বডিতে থেকে নিয়মতান্ত্রিক কোনো বেতন-ভাতা পাবেন না তারা। তবে, সিনেট কিংবা সিন্ডিকেটের বৈঠকে যোগদান করলে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাতা পাবেন। তাছাড়া সিন্ডিকেট বা অন্যকোনো বডি থেকে তাদের কোনো দায়িত্ব দিলে সেজন্য যদি কর্তৃপক্ষ সম্মানী দেয় তা-ও তারা পাবেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102