সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
জগতপুর ইউনিয়নসহ সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানালেন হাজী মকবুল হোসেন সংহতির নিদর্শন হিসেবে কুয়েতকে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্যসামগ্রীর শুভেচ্ছা চালান হস্তান্তর করল বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী

আঙ্গুর চাষে সাড়া জাগিয়েছেন মাস্টার লিটন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫
  • ৩৮০ বার পড়া হয়েছে

আবুল হাসান, কোটচাঁদপুর উপজেলা :

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ২ নং দোড়া ইউনিয়ন এর শ্রীরামপুর গ্রামের পূর্ব পাড়া মাঠে আঙ্গুর চাষ করে এলাকায় তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ঐ এলাকার লিটন মাস্টার।

গত দেড় বছর পূর্বে শ্রীরামপুর গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক মোঃ আব্দুল আলিম ওরফে লিটন মাস্টার ১৭ শতক জমির উপর বাইকুনার, ও একুলা কালো জাতের অষ্টেলিয়ান মিষ্টি আঙ্গুরের চাষ শুরু করেন।

আঙ্গুর চাষী লিটন মাস্টার জানান গত দেড় বছর পূর্বে সর্বপ্রথম এই এলাকায় আঙ্গুর চাষ আমি শুরু করি।আমার স্বপ্ন ছিল বাহিরের দেশ থেকে এই কালো জাতের মিস্টি আঙ্গুর আমদানি করে আনা হয় যা দেশের অর্থ বিদেশে চলে যায় । এই আঙ্গুর নিজ দেশে চাষ করে কিভাবে দেশের ফলের চাহিদা মিটিয়ে দেশের অর্থ দেশেই রাখা যায়। যেই স্বপ্ন সেই কাজ।

সর্বপ্রথম আমি বিভিন্ন স্থান থেকে ঘুরে ঘুরে চারা সংগ্রহ করি। এই বাগানে আঙ্গুরের মোট ১০০ টি চারা প্রতিটি ৫০০ পাঁচশত টাকা করে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করি।১৭ শতক জমির উপর ১০০ টি পিলারের টেবিল মাচা দিয়ে চারাগাছ গুলো পরিচর্যা করি। জৈব ও সামান্য রাসায়নিক সার ব্যবহার করি। সামান্য পরিমানে কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। বছরে দুই বার এই আঙ্গুর ধরে।

১৭ শতক জমিতে সর্বমোট খরচ হয়েছে ১ লক্ষ টাকা। প্রথম অবস্থায় প্রতি কেজি ৩ শত ৫০ টাকা করে বর্তমান বিক্রি করেছি। এখনো দেড় লক্ষ টাকার আঙ্গুর বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করছি।এখন থেকে দেশে ফলের চাহিদা মিটিয়ে বাহিরে রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে মনে করি। তিনি জানান এখান থেকে চারা যদি কেউ সংগ্রহ করতে চাই আমি দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ। সরকারি ভাবে যদি সহায়তা করা হয় তাহলে এখান থেকে বেকারত্ব দুর করে স্বাবলম্বী হওয়ার সম্ভবনায় বেশি। অ্যভোকাডো, ও জাপানের জাতীয় ফল পার্সিমন চাষও করা হয়েছে এখানে। যা তিনি অপার সম্ভাবণার মুখ দেখছেন। আশা করছেন এই চাষটি এলাকায় সাড়া জাগিয়ে তুলবে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান এটা নতুন চাষ করে এলাকায় ব্যপক সাড়া জাগিয়েছেন লিটন মাস্টার।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102