সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
দুর্গম এলাকায় দ্রুত যাতায়তের জন্য স্পিড বোড প্রদান করেন সিরাজগঞ্জ ৪ আসনের মাননীয় এমপি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এআই ব্যবহার নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রশিক্ষণ শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সাথে আজ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জলঢাকায় ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের চেয়ার নিয়ে নতুন বিতর্ক, জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ পিআরএল ছুটি গমনের দিনই পুলিশ সদস্যের হাতে লাম্পগ্রান্ট বিলের চেক তুলে দিলেন সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কুমিল্লা তিতাসে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাজউদ্দিন ভূঁইয়ার ব্যাপক গণসংযোগর ও প্রচারণা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতের ‘গুড মুভ’, প্রার্থী কর্নেল অলি—চাপে বিএনপি পিরোজপুরের আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত- সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী সহ উপস্থিত ছিলেন প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতের ‘গুড মুভ’, প্রার্থী কর্নেল অলি—চাপে বিএনপি শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার মেদান ইম্বির নেগেরি সেম্বিলান এ ৫০৬জন বিদেশী নাগরিককে আইন লঙ্ঘনের সন্দেহে আটক করা হয়েছে

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

মো:নুরুল ইসলাম সুজন, মালয়েশিয়া :

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ (JIM) ২০২৫ সালের ১৭ই এপ্রিল কুয়ালালামপুরের মেডান ইম্বির একটি ব্যবসায়িক এলাকায় এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযান সন্ধ্যা ৭:৩০টায় শুরু হয় এবং এতে ইমিগ্রেশন বিভাগের সদর দপ্তর ও নেগেরি সেমবিলান শাখার বিভিন্ন পদমর্যাদার ১৮৫ জন কর্মকর্তা এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগসহ অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন।

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক, সম্মানিত দাতুক জাকারিয়া বিন শাহবান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই অভিযানে মোট ৮৯৫ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৭৪৯ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১৪৬ জন স্থানীয় নাগরিক ছিলেন। এর মধ্যে ৫০৬ জন বিদেশি নাগরিককে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সন্দেহে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বয়স ২৫ বছর থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে।

অভিযান চলাকালে কিছু বিদেশি নাগরিক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং কেউ কেউ ঘর, টয়লেট, স্টোর রুমসহ বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে পড়ে। সনাক্ত হওয়া অপরাধগুলোর মধ্যে ছিল – পরিচয়পত্রের অনুপস্থিতি, পাসের শর্ত লঙ্ঘন, ওভারস্টে, অবৈধ কার্ড ধারণ এবং অন্যান্য অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনা।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, তারা অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, অভিবাসন প্রবিধান ১৯৬৩ এবং মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান বিরোধী আইন ২০০৭ (ATIPSOM)-এর অধীনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে। এছাড়াও, যেসব পক্ষ অবৈধ অভিবাসীদের চাকরি দেয় বা তাদের আশ্রয় দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102