সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ টেকনাফে জাল টাকার নোট প্রস্তুতকারী চক্রের গোপন আস্তানায় বিজিবি’র হানা এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন ডিএনসিসির প্রায় ৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ এডিবির দ্রুত এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সাড়া ও অর্থায়ন দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ——- অর্থ মন্ত্রী দেশের সম্পদ মাটির নীচে রেখে আমদানি ভিত্তিক জ্বালানি নির্ভরতা বাড়িয়ে দেশের অনেক ক্ষতি করা হয়েছে, জ্বালানি মন্ত্রী নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সরকারের সর্বাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী কুমিল্লা তিতাসের বলরামপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান সম্ভাব্যপ্রার্থী লিটন শিকদারকে নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে

সিআইডি দেখে দৌড়ে পালালেন সুপারসহ ৬ শিক্ষক

তারেক মাহমুদ জয়
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

তারেক মাহমুদ জয়, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি :
মৃত সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সুপারের সাক্ষর জাল করে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে এক অদ্ভত ঘটনার সাক্ষি হলেন ঝিনাইদহ সিআইডির পরিদর্শক আব্দুর রহিম। সিআইডি কর্মকর্তার মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে পৌছানোর খবর পেয়ে সুপার ইয়ারুল হকসহ একে একে পালিয়ে গেলেন ৬ জন শিক্ষক।

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দুপুরে (৯ নভেম্বর) ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার পারফলসি মাদ্রাসায়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। গ্রামবাসি বলছেন, পার ফলসি মাদ্রাসার শিক্ষকদের মাঝে মধ্যে কি যেন হয়। প্রায়ই দেখা যায় তারা দল বেঁধে পালাচ্ছেন।

ঝিনাইদহ সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক আব্দুর রহিম খবর নিশ্চিত করে জানান, মাদ্রাসার মৃত সভাপতির সাক্ষর জাল করে ওই মাদ্রাসায় ১২জন শিক্ষক নিয়োগ করা হলে আদালতের নির্দেশে তদন্তে নামে সিআইডি। একাধিকবার ওই মাদ্রাসায় সরজমিন পরিদর্শনে গিয়েও সুপার ইয়ারুল হক সহযোগিতা করেন নি। তিনি শিক্ষক নিয়োগের কাগজপত্র দেননি। বরং যতবার সিআইডি’র তদন্ত দল মাদ্রাসায় গিয়েছে ততবারই সুপারসহ শিক্ষকরা পালিয়েছেন। গত রোববারও তাদের মাদ্রাসায় পাওয়া যায়নি।

প্রত্যাক্ষদর্শী আতিয়ার রহমান জানান, সোমবার দুপুরে সিআইডি’র তদন্ত দল মাদ্রাসায় উপস্থিত হলে সুপারসহ ৬/৭ জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। কিন্ত সিআইডির আসার খবরে শিক্ষক বাবুল হোসেন, রুহুল আমনি, মসলেম উদ্দীন, সাইফুর রহমান, জিয়া, খায়রুল ইসলাম ও আবু সালেহ ওল্টু পালিয়ে যান। এই দৃশ্য দেখে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে হরিণাকুন্ডু উপজেলার পারফলসি গ্রামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০২২ সালের ৬ জুলাই মাদ্রাসাটি রাতারাতি এমপিও ভুক্ত হলে বর্তমান সুপার ইয়ারুল হক হঠাৎ আর্বিভুত হন সুপার হিসেবে। এরপর দাবী করে বসেন প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খলিলুর রহমান তাদের নিয়োগ দিয়ে গেছেন।

এ নিয়ে এলাকায় শোরগোল শুরু হলে মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির ছেলে কনক মন্ডল মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি ঝিনাইদহ সিআইডি তদন্ত করছে। মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দপ্তরী হিসেবে দায়িত্ব পালনরত মনজের আলী জানান, ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল এই ১০ বছর পর্যন্ত বর্তমান সুপার ইয়ারুল হক মাদ্রাসায় ছিল না। এমপিও ভুক্ত হওয়ার পর তিনি রাতারাতি উড়ে এসে জুড়ে বসেন।

মামলার বাদী কনক মন্ডল জানান, সুপার ইয়ারুল একজন বাটপার ও চতুর মানুষ। তিনি মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার ইয়াসমিন সুলতানার সাক্ষরে নিয়োগ পেয়েছেন বলে দাবী করেন। কিন্তু ইয়াসমিন সুলতানা সিআইডির কাছে সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি সুপারসহ কাউকেই নিয়োগ দেননি।

এ বিষয়ে মাদ্রাসা সুপার সুপার ইয়ারুল হক বলেন, “কোথায় কবে নিয়োগ বোর্ড বসেছিল তা তার এখন মনে নেই” এ কথা বলে মুঠোফোনের লাইন কেটে দেন।

ঝিনাইদহ সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক আব্দুর রহিম জানান, নিয়োগের বিষয়টি জাল বলে মনে হচ্ছে। সিআইডি তথ্য প্রমান সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, দ্রুত এই মামলার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102