চৌহালী প্রতিনিধি, আব্দুল আলিম :
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে ক্ষিপ্ত মৌমাছির কামড়ে ২০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত সাইদুল ইসলাম মন্ডলকে (৫২) কে আশংকাজনক অবস্থায় স্থানীয় খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণগ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মৌমাছির আক্রমণের শিকার হয়েছেন সাইদুল সরকারের বাড়ির তিনটি গরু। এনায়েতপুর থানার থানার খুকনী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন সরকার ও আহতরা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ব্রাহ্মণগ্রামের আমজাদ হোসেন মাস্টারের বাড়ির সামনে স্বজনেরা বসেছিল। তখন পাশেই রাস্তায় মাটি ফেলা শ্রমিক আলমগীর মন্ডলকে ক্ষিপ্ত মৌমাছির দল কামড়ে ধরে। তখন তার আত্মচিৎকারে উপস্থিত সকলে এগিয়ে গেলে সবাইকেই একের পর এক কামড়াতে থাকে মৌমাছিরা। তখন আমজাদ মাস্টারের ছেলে মিলন ও মিঠুন সরকার তাদের বাঁচাতে আগুন ধরিয়ে ধোয়া সৃষ্টি করে মৌমাছি তাড়াতে গেলে তারাও আহত হন। একের পর এক পথচারীরাও মৌমাছির আক্রমণের শিকার হন। এরপর ক্ষিপ্ত মৌমাছিরা আঞ্জু সরকার, তোতা সরকার, হাসমত সরকার, বাবুল হোসেন মাস্টার, আমজাদ মাস্টারের বাড়িতে দল আক্রমণ চালায়।তখন গোয়ালের ৩টি গরুও মৌমাছির হাত থেকে রক্ষা পায়নি। তখন ৪-৫ জন মিলে আগুনের ধোঁয়া দিয়ে মৌমাছি তাড়াতে সক্ষম হয়। এসময় সবমিলে মৌমাছির অতর্কিত আক্রমণে মোট ২০ জনের মতো আহত হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
আহতদের প্রত্যেককে ১০ থেকে শতাধিক করে কামড়েছে। এরমধ্যে বেশি আঘাতপত্র হলেন আলমগীর হেসেন মন্ডল, সাইদুল সরকার (৫৫), মিঠুন সরকার (২৭), নুর হোসেন সরকার (৩৫), হিমেল হোসেন বাবুল মাস্টার (৫০), সোনাউল্লাহ সরকার (৩২), আবির হোসেন (২৮)। স্থানীয়রা ধারণা করছে, মৌমাছির দল কোথাও আক্রমণের শিকার হয়ে ক্ষিপ্ত হওয়ায় এই ঘটনা ঘটিয়েছে।