শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে সামগ্রিক অর্থনীতি মজবুত হবে —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী জলবদ্ধতা দূরীকরণ, চাষাবাদ বৃদ্ধি ও প্রকৃতি বাঁচাতে খাল খনন অব্যাহত রাখা হবে ‎——- পানি সম্পদ মন্ত্রী বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ হজযাত্রী সেবা কাজকর্ম মনিটরিংয়ে গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ আগামী বছরে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশ গঠনে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী পাকিস্তানি প্রতিপক্ষের সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট সৌদি আরব পৌঁছেছে

প্রেমের টানে ২৪ বছর পর ডেনিশ নারী বরগুনায়

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩৫০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নাজমুল হাসান (অপু), বরগুনা প্রতিনিধি:

সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়ে প্রেমের টানে দীর্ঘ ২৪ বছর পরে বাংলাদেশে পাড়ি জমিয়েছেন ড্যানিশ নারী। এদিকে মনের মানুষের সাথে যোগাযোগ না থাকলেও তার অপেক্ষায় গত ২৪ বছর একাকীত্ব ভোগ করেছেন দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার বরগুনা জেলা প্রতিনিধি মাহাবুবুল আলম মান্নু (৫০)। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল ২৫) সন্ধ্যা ৭ টা থেকে নতুন করে তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু হয়েছে। প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে আসা তরুনীর নাম রুমানা মারিয়া (৪২)। তিনি ডেনমার্কের বাসিন্দা এবং সেখানকার সরকারি চাকরিজীবী।

জানা যায়, ১৯৯৪ সালে ডেনমার্কে যায় মাহাবুবুল আলম মান্নু। সেখানকার একটি রেস্টুরেন্টে দেখা হয় রুমানা মারিয়া নামক এক ড্যানিশ তরুনীর সাথে। সেখানে কথোপকথনের একপর্যায়ে ২ জনের ভালো লাগা। আর ভালোলাগা থেকে শুরু হয় ভালোবাসা। এক পর্যায়ে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পরে রুমানা মারিয়াকে বিয়ে করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন মান্নু। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বাঙালি মেয়েদের মতই সংসারিক কাজে মেতে ওঠেন তিনি। লেখাপড়ার উদ্দেশ্যে ফের তাকে ডেনমার্কে পাঠানো হয়। তবে সেখানে যাওয়ার ৩-৪ বছর পর নিজেদের অনিচ্ছা থাকলেও তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

রুমানা মারিয়া ডেনমার্ক থাকাকালীন সময়ে প্রবাসীদের কাছে অনেক সন্ধান করেছেন মাহবুবুল আলম মান্নুর। ২৩ সালে এক বাঙালির কাছে জিজ্ঞেস করেন, তুমি মান্নু কে চেনো কিনা? রুমানা মারিয়া ঠিকানা ও পরিচয় সঠিক ভাবে দিতে না পারায় ব্যর্থতা প্রকাশ করে ওই বাঙালি বলেন, বাঙালিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) ব্যবহার করে। তুমি একটি ফেসবুক একাউন্ট খুলে সেখানে খোঁজার চেষ্টা করো, হয় তো পেয়ে যাবে।

২৪ সাল পর্যন্ত ফেসবুকে খুঁজে অবশেষে সন্ধান পায় ভালোবাসার প্রিয় বাঙালি মানুষটির। খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে রোমানা মারিয়ার ভালোবাসায় সিদ্ধ হয়ে আজ পর্যন্ত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি মান্নু। অবশেষে প্রেমের টানে ছুটে আসেন বাংলাদেশে। ১০ দিনের ছুটিতে সুদূর ডেনমার্ক থেকে বরগুনায় পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিক মাহাবুবুল আলম মানুষ বলেন, আমি তাকে এতোটাই ভালোবেসে ফেলেছি যে, তাকে কখনো পাবোনা জেনেও বিয়ে করিনি। তবে নিয়তি আমার কাছে তাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন।

রুমানা মারিয়া বলেন, I want to take Mannu to Denmark. And if he doesn’t want to go, I will retire and come to Bangladesh. If necessary, I will stay with him in the village house. Like the village girls. (বাংলা অর্থ) আমি মান্নুকে ডেনমার্কে নিয়ে যেতে চাই। আর যদি সে যেতে না চায়, তাহলে আমি অবসর নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসব। প্রয়োজনে, আমি তার সাথে গ্রামের বাড়িতে থাকব। গ্রামের মেয়েদের মতো।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102