আলী আহসান রবি :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় সদস্য মো: ফারুক (৪৪) কে ঢাকা সদরঘাট নৌ থানা পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়। রেকর্ড পত্র পর্যালোচনায় তার বিরুদ্ধে দন্ডবিধি আইনে ডিএমপির কোতয়ালী থানায় একটি নিয়মিত মামলা এবং শরিয়তপুর গোসাইরহাট থানায় একটি জিডির তথ্য পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, গত ২৯ মে ২০২৬ খ্রিঃ রাত আনুমানিক ০৮:৪০ ঘটিকা হতে ০৯:১৫ ঘটিকা পর্যন্ত ভোলা ইলিশাগামী এম.ভি. ইয়াদ লঞ্চের দোতলায় ডেকে অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় সদস্য মো: ফারুককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করা এবং অন্যের ব্যাগ হাতানোর ঘটনায় সদরঘাট টার্মিনাল কেন্দ্রিক নৌ পুলিশ সদস্যদের সংবাদ দেয়া হয়। ঢাকা সদরঘাট নৌ থানার টিম ও টহলকারী নৌ পুলিশের টিম তাৎক্ষণিকভাবে লঞ্চে ডিউটিরত আনসার সদস্য এবং লঞ্চের স্টাফসহ আসামি মো: ফারুককে নৌ পুলিশের হেফাজতে নেয়।
পরক্ষণেই, লঞ্চের ডেকে আসামীর পাশের দুই যাত্রী মো: নাসিম হাজারী (৬০) এবং মো: সাহাবুদ্দিন (২৮) দ্বয়কে তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে লঞ্চ ছাড়ার সময় হয়ে গেলে অপরাপর যাত্রীদের বিবেচনায় এম.ভি. ইয়াদ লঞ্চটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এহেন পরিস্থিতিতে বিআইডব্লিউটিএর নৌনিট্রা কর্মকর্তা, লঞ্চের মালিক ও স্টাফদের সাথে যোগাযোগ করে পথিমধ্যে অসুস্থ দুই জন যাত্রীকে মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাটে লঞ্চ ভিড়িয়ে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং অসুস্থ ব্যক্তিদ্বয়ের পরিবারকে অবহিত করা হয়। নৌ পুলিশের তৎপরতায় যথাযথ চিকিৎসায় তারা দুজনেই পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেন। অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় সদস্য মো: ফারুক (৪৪) তার অন্যান্য সহযোগী সদস্যদের সহযোগিতায় বর্ণিত দুইজনকে চেতনানাশক/নেশাজাতীয় খাবার কিংবা দ্রব্য দিয়ে অচেতন করে মূল্যবান জিনিসপত্র এবং টাকাপয়সা নেয়ার চেষ্টা করে।
বর্ণিত ঘটনায় ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়, এ সংক্রান্তে নৌ পুলিশ ঢাকা অঞ্চলের আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে