রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
কুমিল্লা তিতাসে এমপি অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়াকে গণসংবর্ধনা খুলনায় পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু: নীরব যন্ত্রণার আড়ালে এক মানবিক বার্তা কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে সামগ্রিক অর্থনীতি মজবুত হবে —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী জলবদ্ধতা দূরীকরণ, চাষাবাদ বৃদ্ধি ও প্রকৃতি বাঁচাতে খাল খনন অব্যাহত রাখা হবে ‎——- পানি সম্পদ মন্ত্রী বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ হজযাত্রী সেবা কাজকর্ম মনিটরিংয়ে গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ আগামী বছরে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশ গঠনে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধকে মীমাংসা’র নামে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা প্রতারণার অভিযোগ

শেখ রাসেল
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ২১৩ বার পড়া হয়েছে

শেখ রাসেল, আশুলিয়া প্রতিনিধি:

ভুক্তভোগী তরুণীর দাবি, আজিজুল সহ কয়েকজন নিজেকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাঁড় করিয়ে ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে মেয়েটির কাছ থেকে অর্থ ও অলংকার আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ধর্ষণের ঘটনার পর আজিজুল ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে আশ্বাস দেন যে, তিনি বিষয়টি সমাধান করবেন এবং অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে সম্পন্ন করবেন। তার কথায় বিশ্বাস করে পরিবারটি মানসিকভাবে ভরসা পায় এবং সামাজিক চাপের মধ্যে পড়ে তার পরামর্শ মেনে চলতে থাকে।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, আজিজুল বারবার বলেন – “আমি আছি, দাও, কোনো সমস্যা নাই। যা হইছে হইছে, তোমার সাথে এই ছেলের বিয়ে আমি করিয়ে দেব।” এই আশ্বাসের ভিত্তিতে তিনি মেয়েটির অলংকার ও নগদ অর্থ ধর্ষকের হাতে তুলে দিতে চাপ সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাতে আরও টাকা নেওয়া হয়।

কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পর জানা যায়, অভিযুক্ত যুবক পলাতক। তখন আজিজুল দায় এড়িয়ে যান এবং পূর্বের প্রতিশ্রুতির কোনো বাস্তবায়ন করেননি। এতে করে ভুক্তভোগী পরিবার দ্বিগুণ ক্ষতির শিকার হয় – একদিকে ধর্ষণের শিকার, অন্যদিকে প্রতারণার ফাঁদে পড়ে অর্থ ও সম্পদ হারানো।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, যেখানে মূল অভিযুক্তের পাশাপাশি আজিজুলের বিরুদ্ধেও সহযোগী হিসেবে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ধর্ষণ একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ, যার কোনো ধরনের আপস বা মীমাংসা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। বরং এ ধরনের ‘মীমাংসা’র নামে প্রভাব খাটানো, ভুক্তভোগীকে বিভ্রান্ত করা এবং অর্থ আদায় করা – সবই দণ্ডনীয় অপরাধের আওতায় পড়ে।

স্থানীয়দের দাবি, আজিজুলের মতো ব্যক্তিরা সমাজে বিচার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করছে এবং অপরাধীদের রক্ষা করছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102