শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
ব্যাংক বীমা অর্থনিউজ
কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে সামগ্রিক অর্থনীতি মজবুত হবে —মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী জলবদ্ধতা দূরীকরণ, চাষাবাদ বৃদ্ধি ও প্রকৃতি বাঁচাতে খাল খনন অব্যাহত রাখা হবে ‎——- পানি সম্পদ মন্ত্রী বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ হজযাত্রী সেবা কাজকর্ম মনিটরিংয়ে গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ আগামী বছরে সঠিক সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশ গঠনে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী পাকিস্তানি প্রতিপক্ষের সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট সৌদি আরব পৌঁছেছে

মোংলা বন্দরে ১৮০ দিনের মধ্যে আমূল পরিবর্তন আনা হবে —– মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

আলী আহসান রবি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি :

২১ ফেব্রুয়ারি,২০২৬:

আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে মোংলা বন্দরের ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রথমবারের মতো মোংলা বন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, জাতীয় অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে এ বন্দরের গুরুত্ব বিবেচনায় বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বন্দর উন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে, যা এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হলে মোংলা বন্দরও চট্টগ্রাম বন্দরের মতো দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বন্দরে পরিণত হবে।

তিনি জানান, সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মপরিকল্পনায় মোংলা বন্দরকে বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন পরিলক্ষিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উন্নয়নের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সম্ভাবনাকে শতভাগ কাজে লাগিয়ে এটিকে একটি আধুনিক ও সক্ষম বন্দরে রূপান্তর করা হবে।

মোংলা বন্দরের সঙ্গে প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের বাতিল বা স্থগিত উন্নয়ন চুক্তি পুনরায় চালুর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ সর্বাগ্রে বিবেচনা করে সেসব চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা হবে। যেসব চুক্তিতে দেশের ক্ষতি হয়েছে, সেগুলো পুনরায় কার্যকর করার আগে গভীরভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, মোংলা নদীর ওপর একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন রেল কোচ ও ইঞ্জিন সংযোজন করে মোংলা-খুলনা রেলপথে একাধিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে তিনি বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী এনডিসি এবং মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ–এর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©1992 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102