সৌদি প্রতিনিধি, মো: সেলিম রানা :
শৃঙ্খলা ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনলেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। একসময় যাত্রী হয়রানি, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য ও নানা অনিয়মে আলোচিত এই বিমানবন্দরে এখন ফিরেছে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও স্বস্তির পরিবেশ।
এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন তরুণ, মেধাবী ও দক্ষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও অভিযান পরিচালনা করে দালালচক্র, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, লাগেজ হয়রানি ও যাত্রী ভোগান্তির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। কোনো প্রকার ছাড় না দিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বিমানবন্দরে শাসন ও নিয়মের বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়।
বিশেষ করে প্রবাসী যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খানের ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে। লাগেজ সংক্রান্ত হয়রানি, পরিবহন জটিলতা এবং অবৈধ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরাসরি নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে আস্থা ফিরে এসেছে।
নওশাদ খানের নেতৃত্বে এখন বিমানবন্দরে নিয়ম মানেই নিয়ম—এখানে ক্ষমতার অপব্যবহার নয়, বরং ন্যায়, স্বচ্ছতা ও সেবাই অগ্রাধিকার পাচ্ছে। যাত্রীরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর বিমানবন্দরে এসে তারা প্রকৃত অর্থেই স্বস্তি ও নিরাপত্তা অনুভব করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, একজন সৎ, সাহসী ও দায়িত্বশীল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যকর নেতৃত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনার চিত্র বদলে দিতে পারে—ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান তার উজ্জ্বল উদাহরণ।
এদিকে সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিম মানবতার সংঘটন–এর পক্ষ থেকে ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে এবং তার এ ধরনের জনবান্ধব উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।