আলী আহসান রবি :
তারিখঃ ১২/০৭/২০২৬ খ্রি.
বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কস এর স্বত্ত্বাধিকারী প্রতারক মো: খায়রুল বাশার বাহার ও তার সহযোগিদের পারস্পরিক যোগসাজশে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আমেরিকা, কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষার জন্য স্বল্প খরচে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রেরণের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখিয়ে তাদের নিকট থেকে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমান সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অনুসন্ধানকালে প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুলশান (ডিএমপি) থানার মামলা নং- ০৫, তারিখ- ০৪/০৫/২০২৫ খ্রি: ধারা-মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫) এর ৪(২)/৪(৪) রুজু করা হয়। অভিযুক্ত মো: খায়রুল বাশার বাহারকে মানিলন্ডারিং মামলায় গত ১৪/০৭/২০২৫ তারিখ ধানমন্ডি থানা এলাকা থেকে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করে। মামলাটির প্রাথমিক তদন্তকালে জনা যায় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ অর্থ দিয়ে বড় স্ত্রীর নামে রাজধানীর ভাটারা এলাকায় ১টি ফ্ল্যাট, ২য় স্ত্রী কানিজ ফাতেমা প্রকাশ ডোনার নামে শেলটেক বিথীকা প্রকল্পে ০১টি ফ্ল্যাট ও নিজ নামে রাজাবাজার এলাকায় ০২টি ফ্ল্যাট এবং রাজধানীর আজিজ সড়কে জি+৭তলা ও জি+৬তলা বিশিষ্ট ২টি বাড়িসহ তার নিজ নামে ও প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৩৪৮২.৫ শতাংশ ক্রয় করে। যার দলিল মূল্য প্রায় ৩৩ কোটি টাকা। সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট এর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত আসামীর নামে থাকা উক্ত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করেছে।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মো: খায়রুল বাশার বাহার নিজেকে একজন শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচয় দিলেও এর আড়ালে তিনি বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সহযোগিতায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে প্রতারণার মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এবং বিপুল পরিমান সম্পদের মালিক হন। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির সন্ধান করা হচ্ছে।